বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে ১৭ ফুটের অজগর উদ্ধার রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল কমলগঞ্জে ‘আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জনমতের ওপর গুরুত্বারোপ উপজেলা সদর গ্রুপ কমিটির নির্বাচন ঘিরে ছলিমবাজারে শ্রমিকদের সঙ্গে তারেক মিয়ার মতবিনিময় সভা শ্রীমঙ্গলে ১ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি “হাজি মুজিব “ কমলগঞ্জে ১,২০০ ফলন্ত কমলা গাছ কাটার ঘটনায় উচ্চতর তদন্ত কমিটির সরেজমিন পরিদর্শন চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে ১৮ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার সীমান্তে নিহত মুজিবুরের পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

মুঈদ আশিক চিশতীর উদ্বোধনে কমলগঞ্জে ৪০ পলাশের চারা রোপণ।

ডেস্ক রিপোর্ট / ৯০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন এলাকার নান্দনিকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পলাশ গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচারের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কের পৌরসভা সংলগ্ন এলাকায় ৪০টি পলাশের চারা রোপণ করা হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কৃষিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা মুঈদ আশিক চিশতি। এ সময় তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় দেশীয় বৃক্ষের বিকল্প নেই। পরিকল্পিতভাবে দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানো গেলে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সংগঠনের জেলা শাখার সহ-সভাপতি আহমেদুজ্জামান আলম, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সংগঠনের সহ-সভাপতি রুবেল আহমদ, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আহাদ মিয়াসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আয়োজকরা জানান, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়ক দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন করিডোর। প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, চা-বাগান ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাতায়াত করেন। এ কারণে সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব আবহ গড়ে তুলতে দেশীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পলাশ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দেশীয় বৃক্ষগুলোর অন্যতম। বসন্তকালে এর লাল-কমলা রঙের ফুল প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তোলে এবং মৌমাছি, প্রজাপতি ও বিভিন্ন পাখিকে আকৃষ্ট করে। ফলে পরাগায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ কেবল একটি কর্মসূচি নয়, এটি পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি সামাজিক অঙ্গীকার। পর্যটন এলাকাগুলোতে দেশীয় বৃক্ষের বিস্তার ঘটলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে, অন্যদিকে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর