শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রত্নগর্ভা মা সম্মাননা, অবসরজনিত বিদায় ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় মুখর গকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শ্রীমঙ্গলে চা পাতা তুলতে গিয়ে খৈয়া গোখরা সাপ, আতঙ্কে শ্রমিকরা কমলগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ আটক, অপরজন পলাতক শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে রাজপথে মহড়া ও আলোচনা: উদযাপন করা হলো জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কমলগঞ্জে বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার চিরকুট লিখে তরুণীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মরদেহ লোকালয় থেকে দুই বনবিড়াল শাবক উদ্ধার শমশেরনগরে আলীবাবা রেস্টুরেন্টসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

বাড়ি ফেরার পথেই ঝরে গেল দুই প্রাণ, রাজনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মা-ছেলে

রিপোটার : / ৭২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের রাজনগরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের আরও তিন সদস্য ও অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার রাতের এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার (২৯ জুন) রাত প্রায় ৯টার দিকে মৌলভীবাজার-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজনগর উপজেলার গয়াসপুর এলাকায় একটি প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন রাজনগর উপজেলার বড়দল গ্রামের বাসিন্দা কনিজা বেগম এবং তার ছেলে জুবের আলী। আহতদের মধ্যে রয়েছেন কনিজা বেগমের স্বামী ইদ্রিস আলী, মেয়ে জোছনা বেগম, জামাতা হাকিম উদ্দিন ও অটোরিকশাচালক তোফাজ্জল মিয়া।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ইদ্রিস আলী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। গয়াসপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকারের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এতে থাকা সবাই গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। আহতদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কনিজা বেগম ও তার ছেলে জুবের আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নিহত কনিজা বেগমের ভাতিজা নাইমুল ইসলাম রাফি জানান, পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পর সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তার চাচি ও চাচাতো ভাইকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। আহতদের অবস্থা নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন।

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেটকার ও অটোরিকশা পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয়দের মতে, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্ক যান চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক এই মর্মান্তিক প্রাণহানি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর