নিউজ ডেস্ক:সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে কেন্দ্র করে নেত্রকোণায় একটি ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, পরকীয়ার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে একটি সালিশি বৈঠকে নিয়ে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত একটি বৈঠকে উপস্থিত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিকে রিপন মিয়াকে ঘিরে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে দেখা যায়।
এদিকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, বিবাহিত রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পাশের গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সালিশে তাকে অর্থদণ্ড ও এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও বিভিন্ন পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি নথি, লিখিত সিদ্ধান্ত বা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট, সালিশে গৃহীত সিদ্ধান্ত কিংবা রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। রিপন মিয়া বা তার পরিবারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যগুলোকে এখনই নিশ্চিত বা চূড়ান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশের পর ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।