শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
রত্নগর্ভা মা সম্মাননা, অবসরজনিত বিদায় ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় মুখর গকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শ্রীমঙ্গলে চা পাতা তুলতে গিয়ে খৈয়া গোখরা সাপ, আতঙ্কে শ্রমিকরা কমলগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ আটক, অপরজন পলাতক শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে রাজপথে মহড়া ও আলোচনা: উদযাপন করা হলো জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কমলগঞ্জে বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার চিরকুট লিখে তরুণীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মরদেহ লোকালয় থেকে দুই বনবিড়াল শাবক উদ্ধার শমশেরনগরে আলীবাবা রেস্টুরেন্টসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আলীনগর চৌমুহনী বাজারের ঐতিহ্য ও পরিচয় রক্ষায় ব্যবসায়ীদের সোচ্চার অবস্থান

কোনো মহিলা ডাক্তারকে ‘স্যার-ম্যাডাম’ ছাড়া অন্য কিছু ডাকবেন না: নির্দেশনা ঘিরে সমালোচনা

রিপোটার : / ১৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক : কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত নারী চিকিৎসকদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ ছাড়া অন্য কোনো সম্বোধন না করার নির্দেশনা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের কক্ষের দরজায় হাতে লেখা এ নির্দেশনা টানানো হয়েছিল বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিষয়টির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরে এনে নির্দেশনাটি সরিয়ে ফেলে।

মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, সরকারি চাকরির বিধিমালায় কোনো চিকিৎসককে ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পরপরই নির্দেশনাটি অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “একজন চিকিৎসকের প্রধান দায়িত্ব হলো মানবিকভাবে রোগীদের সেবা প্রদান করা। রোগীদের ওপর নির্দিষ্ট সম্বোধন চাপিয়ে দেওয়া অযৌক্তিক।”

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে জরুরি বিভাগের দরজায় নির্দেশনাটি টানানো হয়েছিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর ছবি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী জানান, গ্রামাঞ্চলে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী নারী চিকিৎসকদের ‘আপা’ এবং পুরুষ চিকিৎসকদের ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করা হয়। এতে অসম্মানের কোনো উদ্দেশ্য থাকে না। তবে সম্বোধন নিয়ে আপত্তি তোলায় অনেক রোগী বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক মনে করেন, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে পুরো হাসপাতালের চিকিৎসকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়া উচিত নয়। চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মন্তব্য করেন।

ঘটনার বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, “আমি মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য চাকরি করি। আমাকে কেউ কীভাবে সম্বোধন করলো, সেটি মুখ্য নয়। কোনো চিকিৎসককে ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলেই ডাকতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

তবে কোন নারী চিকিৎসকের কারণে এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর