শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
রত্নগর্ভা মা সম্মাননা, অবসরজনিত বিদায় ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় মুখর গকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শ্রীমঙ্গলে চা পাতা তুলতে গিয়ে খৈয়া গোখরা সাপ, আতঙ্কে শ্রমিকরা কমলগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ আটক, অপরজন পলাতক শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে রাজপথে মহড়া ও আলোচনা: উদযাপন করা হলো জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কমলগঞ্জে বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার চিরকুট লিখে তরুণীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মরদেহ লোকালয় থেকে দুই বনবিড়াল শাবক উদ্ধার শমশেরনগরে আলীবাবা রেস্টুরেন্টসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আলীনগর চৌমুহনী বাজারের ঐতিহ্য ও পরিচয় রক্ষায় ব্যবসায়ীদের সোচ্চার অবস্থান

মৌলভীবাজারে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

রিপোটার : / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

জমির দ্বন্দ্বে রক্তাক্ত পরিণতি, ভাই হত্যার অভিযোগে একই পরিবারের ৫ সদস্য কারাগারে

মৌলভীবাজারে একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় নিহতের আপন ভাই, বোন ও ভাবিসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত আব্দুল মতিন (৫৮) ও তার ভাই-বোনদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও একাধিক মামলা চলমান ছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— আব্দুল মজিদ (৫০), আব্দুল আজিদ (৪৩), আব্দুল রুফ (৫৬), আয়েশা আক্তার রত্না (৩৭) ও তুলি বেগম (৪০)। তাদের মধ্যে আব্দুল মজিদকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে বাড়ি থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে বের হন আব্দুল মতিন। আদালতে যাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন অভিযুক্তরা। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে অনুসরণ করা হয় এবং একপর্যায়ে নির্জন স্থানে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

সেদিন সন্ধ্যায় আব্দুল মতিন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির কাছেই একটি পাকা রাস্তার ওপর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে রাতেই মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন থেকে শুরু হয় নিবিড় তদন্ত। পুলিশের বিশেষ টিম প্রযুক্তিগত তথ্য ও বিভিন্ন সূত্র বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) নোবেল চাকমা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে গত ৩০ জুন তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর