শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
রত্নগর্ভা মা সম্মাননা, অবসরজনিত বিদায় ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় মুখর গকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শ্রীমঙ্গলে চা পাতা তুলতে গিয়ে খৈয়া গোখরা সাপ, আতঙ্কে শ্রমিকরা কমলগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ আটক, অপরজন পলাতক শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে রাজপথে মহড়া ও আলোচনা: উদযাপন করা হলো জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কমলগঞ্জে বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার চিরকুট লিখে তরুণীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মরদেহ লোকালয় থেকে দুই বনবিড়াল শাবক উদ্ধার শমশেরনগরে আলীবাবা রেস্টুরেন্টসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আলীনগর চৌমুহনী বাজারের ঐতিহ্য ও পরিচয় রক্ষায় ব্যবসায়ীদের সোচ্চার অবস্থান

পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিপুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক / ৫৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬


বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন পুলিশের নতুন পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলছে, বিপুল অর্থ ব্যয় না করে বাহিনীর আধুনিকায়ন ও লজিস্টিক সহায়তায় গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির মতে, নতুন পোশাক প্রবর্তনে বিপুল অর্থ ব্যয় করার পরিবর্তে বাহিনীর আধুনিকায়ন, থানা পর্যায়ে যানবাহন সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তা বৃদ্ধি করা অধিক যুক্তিযুক্ত হবে।
সোমবার সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা জেলা-এর পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের নির্ধারিত নতুন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের গায়ের রং, দেশের আবহাওয়া এবং সদস্যদের মতামত যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। জনমত যাচাই ছাড়াই নির্বাচন করা এই পোশাকের সঙ্গে অন্যান্য ইউনিফর্মধারী বাহিনীর পোশাকের সাদৃশ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এতে মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সহজে শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে পুলিশের পোশাকের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, ২০০৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপন এবং ১০ ফেব্রুয়ারির গেজেটের মাধ্যমে দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে তৎকালীন সরকার বর্তমান পোশাক নির্ধারণ করেছিল। সে সময় আবহাওয়া, দিন-রাতের দায়িত্ব পালনের সুবিধা, দৃশ্যমানতা এবং অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে পার্থক্য—এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।
সংগঠনটির দাবি, পুলিশের অধিকাংশ সদস্য তড়িঘড়ি করে নেওয়া এই পরিবর্তনের পক্ষে নন। তাঁদের মতে, বর্তমান পোশাক দীর্ঘদিন ধরে বাহিনীর ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ সদস্যরা এই পোশাক পরেই দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে পেশাদারত্বের পরিচয় দিয়েছেন। দেশ-বিদেশে তাদের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এ ছাড়া বলা হয়, পোশাক পরিবর্তন একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই নতুন পোশাক তৈরির পরিবর্তে বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে অর্থ ব্যয় করা বেশি প্রয়োজন।
বিবৃতির শেষে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে পুলিশ সদস্যদের মতামত, বাস্তবতা এবং জনমত যাচাইয়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সোর্স/ প্রথম আলো


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর