মুক্তির আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে । এবার সিনেমাটি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী । তার দাবি, নাটকের কথা বলে শুটিং করানো হলেও পরে সেই দৃশ্য সিনেমায় ব্যবহার করা হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত সিনেমার পোস্টারে নিজের ছবি দেখে বিস্মিত হন জেবা জান্নাত। তিনি জানান, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামে কোনো সিনেমা বা নাটকে তিনি অভিনয় করেননি। এ বিষয়ে পরিচালকের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি টেলিভিশন অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন -তেও অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জেবা উল্লেখ করেন, তিনি একটি একক নাটকে অভিনয়ের জন্য মৌখিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে তার সহশিল্পী হিসেবে -র থাকার কথা থাকলেও পরে পরিচালক -এর সঙ্গে তাকে অভিনয় করানো হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে সেটিকে ‘স্বপ্নের দৃশ্য’ বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
জেবা জান্নাতের ভাষ্য, শুটিং শেষ হওয়ার অনেক পরে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ছবিযুক্ত সিনেমার পোস্টার দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। সিনেমায় কাজের বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো লিখিত বা মৌখিক চুক্তি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সন্তোষজনক জবাব পাননি বলে অভিযোগ করেন এই অভিনেত্রী।
তিনি আরও বলেন, এটি শুধু তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের বিষয় নয়, বরং একটি অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। ঈদের কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
এর আগে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন চিত্রনায়িকা । তার অভিযোগ ছিল, সিনেমা নয়, নাটকের কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা হয়েছিল।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীর। তার দাবি, পুরো বিষয়টি সম্পর্কে জেবা জান্নাত অবগত ছিলেন। এ দাবির পক্ষে কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডও প্রকাশ করেছেন তিনি। যদিও চুক্তিপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি। তার ভাষ্য, সরকারি অনুমোদন নিয়েই সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে এবং মুক্তির আগে এমন অভিযোগ ওঠা প্রশ্ন তৈরি করছে।
অন্যদিকে, প্রকাশিত অডিও রেকর্ডকে খণ্ডিত বলে দাবি করেছেন জেবা জান্নাত। পরিচালকের সততা থাকলে পুরো কল রেকর্ড প্রকাশ করার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে অভিনেতা সিয়ামও ছবিটি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, সিরিয়ালের কাজের কথা বলে বিভিন্ন শিল্পীর অতিরিক্ত দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল, যা পরে সিনেমার ট্রেলার ও মূল ছবিতে ব্যবহার করা হয়। সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের কেউই বিষয়টি জানতেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।