স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর সড়কটির কাজ শুরু হলেও প্রতিশ্রুত পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না করে খণ্ডখণ্ডভাবে, বিশেষ করে বাজার ও দোকানপাট এলাকার অংশে কাজ সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। জনবসতিহীন ও অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী অংশে ভাঙা ও খানাখন্দের ওপর শুধু বালি ফেলে কার্পেটিং করে চলে যাওয়া হচ্ছে।
এদিকে কাজের মান নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় ৩–৪ ইঞ্চি সাইজের কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে, যা গাড়ি চলাচলের মাধ্যমে “নিজে থেকেই ভেঙে ছোট হয়ে যাবে”এমন যুক্তিও দেন তারা। অথচ প্রাইম কোট ছাড়াই এ কাজের ওপর দিয়েই অবাধে যান চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কাজ শুরুর পরও সড়ক বন্ধ বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে মাত্র ৫–৬ দিনের ব্যবধানে নির্মিত কার্পেটিংয়ে পা দিয়ে চাপ দিলেই গুঁড়িয়ে ওঠার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব কাজের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
“কাজে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে দায়সারা সংস্কার চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি পুনরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব কাজের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
“কাজে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে দায়সারা সংস্কার চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি পুনরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।