বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে ১৭ ফুটের অজগর উদ্ধার রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল কমলগঞ্জে ‘আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জনমতের ওপর গুরুত্বারোপ উপজেলা সদর গ্রুপ কমিটির নির্বাচন ঘিরে ছলিমবাজারে শ্রমিকদের সঙ্গে তারেক মিয়ার মতবিনিময় সভা শ্রীমঙ্গলে ১ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি “হাজি মুজিব “ কমলগঞ্জে ১,২০০ ফলন্ত কমলা গাছ কাটার ঘটনায় উচ্চতর তদন্ত কমিটির সরেজমিন পরিদর্শন চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে ১৮ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার সীমান্তে নিহত মুজিবুরের পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

কমলগঞ্জ–আদমপুর সড়কে ৬ কোটি টাকার কাজে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ

মো.সাইদুল ইসলাম,কমলপত্র / ১৩৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে আট কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে প্রায় ৬ কোটি ২ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর সড়কটির কাজ শুরু হলেও প্রতিশ্রুত পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না করে খণ্ডখণ্ডভাবে, বিশেষ করে বাজার ও দোকানপাট এলাকার অংশে কাজ সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। জনবসতিহীন ও অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী অংশে ভাঙা ও খানাখন্দের ওপর শুধু বালি ফেলে কার্পেটিং করে চলে যাওয়া হচ্ছে।


এদিকে কাজের মান নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় ৩–৪ ইঞ্চি সাইজের কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে, যা গাড়ি চলাচলের মাধ্যমে “নিজে থেকেই ভেঙে ছোট হয়ে যাবে”এমন যুক্তিও দেন তারা। অথচ প্রাইম কোট ছাড়াই এ কাজের ওপর দিয়েই অবাধে যান চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কাজ শুরুর পরও সড়ক বন্ধ বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে মাত্র ৫–৬ দিনের ব্যবধানে নির্মিত কার্পেটিংয়ে পা দিয়ে চাপ দিলেই গুঁড়িয়ে ওঠার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।


এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব কাজের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
“কাজে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে দায়সারা সংস্কার চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি পুনরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।


এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব কাজের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
“কাজে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে দায়সারা সংস্কার চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি পুনরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর