শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে কমলগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা মুঈদ আশিক চিশতী।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তিতে ভরে উঠুক প্রিয় বাংলাদেশ।” শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক, এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
কৃষিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত মুঈদ আশিক চিশতী দীর্ঘদিন ধরে কমলগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের টিন সরবরাহ, টিউবওয়েল স্থাপন ও মেরামত এবং কাঁচা রাস্তা সংস্কারে সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার পানি নিষ্কাশন ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডের ড্রেন ও জলাশয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে সহযোগিতা করেছেন। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন দুর্ভোগ কিছুটা কমানো।
ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। কোরবানির ঈদে অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে কোরবানির মাংস বিতরণসহ বিভিন্ন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ক্রীড়া সংগঠন ও স্থানীয় খেলোয়াড়দের সহযোগিতা করেছেন।
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতেও মুঈদ আশিক চিশতীর কার্যক্রম রয়েছে। তাঁর উদ্যোগে খামারি ও পশুমালিকদের জন্য বিনামূল্যে ভেটেরিনারি ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি বিভিন্ন প্রদর্শনী ও কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন এবং পুরস্কার অর্জন করেছেন।
শিক্ষাক্ষেত্রেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। কমলগঞ্জ আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তিনি শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুলড্রেস ও ফলজ গাছের চারা বিতরণের মতো উদ্যোগেও অংশ নিয়েছেন।
রাজনৈতিকভাবে মুঈদ আশিক চিশতী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কমলগঞ্জ পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি আসন্ন কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে।
মুঈদ আশিক চিশতীর ভাষ্য, মানুষের পাশে থাকার জন্য বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে তিনি কমলগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। একই সঙ্গে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।