বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের জন্য ১৮ বছরেই আত্মত্যাগ, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানকে স্মরণ মৌলভীবাজারে ১৮ পদে নিয়োগ পরীক্ষা ৩০ অক্টোবর, দালাল থেকে সতর্ক করল প্রশাসন মৌলভীবাজারে পলিথিনবিরোধী অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা শ্রীরামপুর নয়াবাজারে আল ইকরা ইসলামি কিন্ডারগার্টেনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মৌলভীবাজারে চুরি যাওয়া দুই গরু উদ্ধার, পিকআপসহ আটক ৪ কমলগঞ্জে ছুটি শেষের ২৬ দিনেও কর্মস্থলে ফেরেননি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রীমঙ্গলে বসতঘরের পাশ থেকে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে জালে আটকে পড়া অজগর উদ্ধার, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কবি আবদুল হাই ইদ্রিছী সাংবাদিক সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে আব্দুল কাইয়ুম রুমনের বক্তব্য

বাড়ি ফেরার পথেই ঝরে গেল দুই প্রাণ, রাজনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মা-ছেলে

রিপোটার : / ৭৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের রাজনগরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের আরও তিন সদস্য ও অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার রাতের এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার (২৯ জুন) রাত প্রায় ৯টার দিকে মৌলভীবাজার-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজনগর উপজেলার গয়াসপুর এলাকায় একটি প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন রাজনগর উপজেলার বড়দল গ্রামের বাসিন্দা কনিজা বেগম এবং তার ছেলে জুবের আলী। আহতদের মধ্যে রয়েছেন কনিজা বেগমের স্বামী ইদ্রিস আলী, মেয়ে জোছনা বেগম, জামাতা হাকিম উদ্দিন ও অটোরিকশাচালক তোফাজ্জল মিয়া।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ইদ্রিস আলী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। গয়াসপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকারের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এতে থাকা সবাই গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। আহতদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কনিজা বেগম ও তার ছেলে জুবের আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নিহত কনিজা বেগমের ভাতিজা নাইমুল ইসলাম রাফি জানান, পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পর সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তার চাচি ও চাচাতো ভাইকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। আহতদের অবস্থা নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন।

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেটকার ও অটোরিকশা পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয়দের মতে, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্ক যান চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক এই মর্মান্তিক প্রাণহানি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর