শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রত্নগর্ভা মা সম্মাননা, অবসরজনিত বিদায় ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় মুখর গকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শ্রীমঙ্গলে চা পাতা তুলতে গিয়ে খৈয়া গোখরা সাপ, আতঙ্কে শ্রমিকরা কমলগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ আটক, অপরজন পলাতক শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে রাজপথে মহড়া ও আলোচনা: উদযাপন করা হলো জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কমলগঞ্জে বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার চিরকুট লিখে তরুণীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মরদেহ লোকালয় থেকে দুই বনবিড়াল শাবক উদ্ধার শমশেরনগরে আলীবাবা রেস্টুরেন্টসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইমাম-মোয়াজ্জিন ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে গোশত বিতরণ করলেন মুঈদ আশিক চিশতী

বিশেষ / ৭৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কমলগঞ্জে ইমাম-মোয়াজ্জিন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে কুরবানির গোশত বিতরণ করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা ও কৃষিবিদ মুঈদ আশিক চিশতী।

ঈদের দিন নিজ বাসভবনে উপজেলার প্রায় শতাধিক ইমাম ও মোয়াজ্জিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি নিজ খামারে কুরবানিকৃত গরু ও মহিষের গোশত উপহার হিসেবে তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

পরবর্তীতে মুঈদ আশিক চিশতী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পায়ে হেঁটে পথচারী, দিনমজুর, রিকশাচালক, সিএনজি চালক ও বিভিন্ন দোকানে কর্মরত মানুষের হাতে গোশতের প্যাকেট তুলে দেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সব মিলিয়ে প্রায় ২০০ প্যাকেট গোশত বিতরণ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মোয়াজ্জিন বলেন, “ঈদের দিনে আমাদের খোঁজ নেওয়া ও সম্মান দিয়ে ডাকার বিষয়টি ভালো লেগেছে। শুধু গোশত বিতরণ নয়, আন্তরিক আচরণটাও গুরুত্বপূর্ণ।”

শহরের শমসেরনগর সড়কে গোশত পাওয়া এক পথচারী জসিম উদ্দিন বলেন, “হাঁটতে হাঁটতে এমন সহায়তা পাবো ভাবিনি। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো অবশ্যই ভালো উদ্যোগ।”

এক রিকশাচালক আব্দুল কাদির বলেন, “ঈদের দিনে পরিবার নিয়ে একটু ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা সবার পক্ষে সহজ হয় না। এই সহযোগিতায় উপকার হয়েছে।”

এ বিষয়ে মুঈদ আশিক চিশতী বলেন, “ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভাগাভাগি করে নেওয়া। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যেন ঈদের আনন্দে অংশ নিতে পারেন, সেই চিন্তা থেকেই ছোট পরিসরে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইমাম-মোয়াজ্জিনরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পেরে ভালো লেগেছে। পাশাপাশি শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝেও কুরবানির অংশ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই।”

স্থানীয়দের মতে, ঈদকে কেন্দ্র করে এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর