লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়ার পর শুক্রবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
কারিনার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় ।
শুক্রবার গণমাধ্যমকে কায়সার হামিদ বলেন, “ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওকে আর বাঁচানো গেল না।”
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তাঁর লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন এবং পরে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন কারিনা কায়সার। পরবর্তীতে তিনি অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজেও যুক্ত হন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে এবং ।
কারিনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা।